প্রকাশিত:
২৯ নভেম্বর, ২০২৫

ট্রাম্প পোস্টে লিখেছেন, অটোপেন ব্যবহারের মাধ্যমে বাইডেনের স্বাক্ষরিত যেকোনো নথি এতদ্বারা বাতিল করা হলো। এসব নথির আর কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। অটোপেন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্তরা অবৈধভাবে এসব নথি প্রস্তুত করেছেন এবং বাইডেন নিজে প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন না।
তিনি আরও বলেন, যদি জো বাইডেন দাবি করেন যে তিনি এতে যুক্ত ছিলেন, তবে তাকে মিথ্যা শপথের অভিযোগে আদালতে হাজির করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতির বদলের পর পূর্ববর্তী প্রশাসনের নির্বাহী আদেশ বাতিল করা নতুন নয়। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত বিতর্ক তৈরি করেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় দায়িত্ব নেয়ার পর ট্রাম্প ইতিমধ্যে বাইডেনের প্রায় ৭০টি আদেশ ২০ জানুয়ারি এবং আরও ১৯টি আদেশ ১৪ মার্চ বাতিল করেছেন।
পটভূমি: আমেরিকান প্রেসিডেন্সি প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি হিসেবে জো বাইডেন মোট ১৬২টি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। তবে এর কতগুলো অটোপেন ব্যবহার করে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়।
ট্রাম্প পূর্বেও অভিযোগ করেছিলেন যে, বাইডেন প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে অটোপেন ব্যবহার করে রাষ্ট্রপতির নথিতে স্বাক্ষর করেছেন, যা তিনি ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে বাইডেন গত জুলাই মাসে এ অভিযোগকে ‘নিরর্থক ও মিথ্যা’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে সব সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নিয়েছি।
বছরের মার্চ মাসে ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে, তিনি ‘অতি তুচ্ছ কাগজপত্রে’ স্বাক্ষরে অটোপেন ব্যবহার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিরা বহু বছর ধরেই অটোপেন ব্যবহার করে আসছেন। ২০০৫ সালে জর্জ ডব্লিউ. বুশ প্রশাসনের বিচার বিভাগ বলেছিল, রাষ্ট্রপতির পক্ষে বিল স্বাক্ষরে অটোপেন ব্যবহার করা আইনসম্মত।